paddy-1Others 

স্বর্ণ-সাবওয়ান প্রজাতির ধান চাষে জোর

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : আমতায় নতুন প্রজাতির ধান চাষ শুরু হল। এক্ষেত্রে বেশি ফলনের আশায় রয়েছেন চাষিরা। সূত্রের খবর, এই নতুন প্রজাতির ধান চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এবার আমতা ২ নম্বর ব্লকের ৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০০ হেক্টর জমিতে স্বর্ণ-সাবওয়ান ও এমটিইউ ১১৫৩ প্রজাতির ধান চাষে উদ্যোগ গ্রহণ করছে কৃষি দপ্তর। ওই দপ্তর সূত্রের খবর, উচ্চফলনশীল এই ধান অন্য প্রজাতির ধানের তুলনায় অনেক বেশি সহনশীল। এরফলে কৃষকেরা এই ধান চাষে অনেক বেশি লাভবান হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

কৃষি দপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে প্রায় ৪৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়। যার বেশিরভাগটাই স্বর্ণ মাসুরি প্রজাতির। যার ফলে বর্ষার সময়ে জমিতে জল দাঁড়ালে এই প্রজাতির ধান চাষে ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে যায়। এক্ষেত্রে স্বর্ণ মাসুরির বদলে স্বর্ণ-সাবওয়ান প্রজাতির ধান চাষে জোর দেওয়া হচ্ছে। বলা হয়েছে, এই প্রজাতির ধান চাষে জমিতে জল দাঁড়িয়ে গেলেও ধানের কোনও ক্ষতি হয় না। সেই কারণে গত কয়েক বছর ধরে রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকের কৃষকেরা এই প্রজাতির ধান চাষে উৎসাহ দেখাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকের পাশাপাশি আমতা ২ নম্বর ব্লকের ঝামটিয়া ও ভাটোরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০০ হেক্টর জমিতে স্বর্ণ-সাবওয়ান প্রজাতির ধান ও কাশমূলি ও ঘোড়াবোড়িয়া চিৎনান গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০০ হেক্টর জমিতে এমটিইউ ১১৫৩ প্রজাতির ধান চাষ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, কৃষকদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য ধানের বীজ, অনুখাদ্য ও রাসায়নিক দেওয়া হয়েছে। আমতা ২ নম্বর ব্লকের কৃষি দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, স্বর্ণ-সাবওয়ান ধানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এই ৬-৭ দিন জলের তলায় থাকলেও এই ধান নষ্ট হবে না। এই প্রজাতির ধানের সহনশীলতা অনেক বেশি হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেকটাই বেশি। প্রসঙ্গত, এমটিইউ প্রজাতির ধান উচ্চফলনশীল ও কম সময়ে অধিক ফলন হওয়ায় কৃষকেরা এই ধান চাষে বেশি লাভবান হতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

Related posts

Leave a Comment